
অনলাইন ডেস্ক : নাটোরে বাস-ট্রাক মুখোমুখি সংঘর্ষে ১৪ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ৩০ জন। মঙ্গলবার ভোর ৫টার দিকে বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সামনে নাটোর-পাবনা মহাসড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতদের মধ্যে ১২ জনের পরিচয় শনাক্ত করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে রয়েছেন—শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার আরব আলীর ছেলে সামাদ ফকির (৭০), ইউনুস আলীর ছেলে সোহাগ হোসেন (৩০), জহুর উদ্দিনের ছেলে জুয়েল রানা (৪০), জাহান উদ্দিন মোল্লার আত্মীয় শালাল মোল্লা (৪৫) ও শাহিন হোসেন (২৫); রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার ফরহাদপুর গ্রামের আব্দুল হাকিমের ছেলে ও বাসচালক সোহেল রানা (৪০); বাগমারা উপজেলার কনোপাড়া গ্রামের বাবর আলীর ছেলে আনোয়ার হক (৩০), পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার সুবিদখালী গ্রামের শহিদুল ইসলামের মেয়ে তাছফিয়া খাতুন (৮), একই উপজেলার আজাহার হাওলাদারের ছেলে ও মৃত তাছফিয়ার বাবা শহীদুল ইসলাম; ঝিনাইদহ সদর উপজেলার মান্দারবাড়িয়া গ্রামের জাকির হোসেনের ছেলে ও ট্রাকচালক আবুল কালাম; নওগাঁর শান্তাহারের সাজ্জাদ আলীর ছেলে রাসেল আলী (৩৩) এবং ফরিদপুর সদরের বাখনদিয়া এলাকার ওমর কুমার জমাদারের ছেলে হিমেজ জমাদার (৩৫)। দুর্ঘটনায় নিহতদের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, আজ ভোরে নাটোর-পাবনা মহাসড়কের বনপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সামনে বাস ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই ১০ জন নিহত ও প্রায় ৩০ জন আহত হন। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও ৪ জনের মৃত্যু হয়।
আহতদের স্থানীয় বনপাড়ার বিভিন্ন ক্লিনিক এবং নাটোর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বনপাড়া হাইওয়ে থানার এসআই আলমগীর হোসেন ও নাটোর ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন কর্মকর্তা আব্দুর রউফ বলেন, ‘মরদেহগুলো উদ্ধার করে নাটোর সদর হাসপাতাল মর্গে এবং আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় বিভিন্ন ক্লিনিক, হাসপাতাল, নাটোর সদর হাসপাতাল ও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
এদিকে দুর্ঘটনার কারণ নির্ণয় ও তদন্ত করতে এডিএম আবুল হায়াতকে প্রধান করে ৭ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে।
Leave a Reply