ধামরাই প্রতিনিধি : ঢাকার ধামরাইয়ে ১৪ বছর বয়সী কিশোরী মেয়েকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে ধর্ষণের অভিযোগে সৎ বাবাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কিশোরীর মা বাদী হয়ে ধামরাই থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেছেন।
গ্রেপ্তার আজাহারুল ইসলাম ওরফে কাওছার (৩৬) সিলেট জেলার দক্ষিণ সুরমা থানার সমাসপুর সূতি গ্রামের বাসিন্দা। ধামরাইয়ের কেলিয়া দক্ষিণ পাড়া এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় পরিবার নিয়ে থাকতেন তিনি। পেশায় তিনি রং মিস্ত্রি।
বৃহস্পতিবার দুপুরে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন ধামরাই থানার ওসি নাজমুল হুদা খান। এর আগে বুধবার দিবাগত রাতে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেন।
মামলার বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, ভুক্তভোগী কিশোরীর মা রেডিও সেন্টারে রান্নার কাজ করেন। আগের সংসারে তাঁর দুই মেয়ে রয়েছে। সাত বছর আগে আজাহারুল ইসলামের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে আটটার দিকে আজাহারুল কৌশলে তাঁর দুই সৎ মেয়েকে ঘুমের ওষুধ খাওয়ান। ওষুধ খাওয়ার পর বড় মেয়ে ও ছোট মেয়ে আলাদা দুটি কক্ষে ঘুমিয়ে পড়ে। রাত চারটার দিকে আজাহারুল তাঁর স্ত্রীর হাত-পা রশি দিয়ে খাটের সঙ্গে বেঁধে ফেলেন এবং মুখে কসটেপ পেঁচিয়ে দেন।পরে তিনি বড় মেয়ের কক্ষে ঢুকে তাকে ধর্ষণ করেন। একপর্যায়ে ছোট মেয়ে মায়ের হাতের বাঁধন খুলে দিলে তিনি বড় মেয়েকে উদ্ধার করেন। কিশোরী তার মাকেৎজানায়, এর আগেও একাধিকবার ভয়ভীতি দেখিয়ে তাকে ধর্ষণ করেছে সৎ বাবা।
ধামরাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ নাজমুল হুদা খান বলেন, বিষয়টি জানাজানি হলে বুধবার রাতে স্থানীয় লোকজন উত্তেজিত হয়ে আজাহারুলকে আটক করে মারধর করে। খবর পেয়ে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে থানায় নিয়ে আসে।
তিনি বলেন, ভুক্তভোগী কিশোরীর মায়ের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ৯(১) মামলা রুজু করা হয়েছে।