স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকার সাভারে বাংলাদেশ লোক-প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (বিপিএটিসি)-এর সামনে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে ঝটিকা মিছিলের ঘটনায় আটজনকে আটক করেছে ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
রোববার দুপুরে এই ঝটিকা মিছিল থেকে একটি হাতবোমা বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এমন একটা ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘুরে বেড়াচ্ছে।
ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ সাইদুল ইসলাম বলেন,
সাভার পৌর ছাত্রলীগের পলাতক সভাপতি মাসুম দেওয়ানের অর্থায়নে ঝটিকা মিছিলটি সংঘটিত হয়। মিছিল থেকে আটজনকে আটক করা হয়। আটককৃতরা হচ্ছে- মো. ফিরোজ মিয়া (২৪), মো. রিয়াদ (১৮), মো. সোয়াদ (১৮), মো. মাসুম (১৮), মো. জিন্নাত (১৯), ইসমাইল হোসেন (২০), মো. তামিম সিকদার (১৮) ও মো. সাকিন ইসলাম (১৮)।
এদের মধ্যে মো. ফিরোজ মিয়া কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজে অধ্যয়নরত। পাশাপাশি তিনি রাজমিস্ত্রির কাজ করেন। শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদের কুড়িগ্রাম জেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। তিনি ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন এলাকায় একাধিক মিছিলে অংশগ্রহণ করেছেন।
মো. রিয়াদ সাভারের পশ্চিম রাজাশন এলাকায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করছিলেন। তার পেশা মিছিলে লোক সংগ্রহ করা।
মো. সোয়াদ সাভারের পূর্ব রাজাশন এলাকায় ভাড়াটিয়া হিসেবে থাকেন এবং সাভারের সেনা কমপ্লেক্স মার্কেটে জুতার দোকানে কাজ করতেন।
মো. মাসুমের বাড়ি কিশোরগঞ্জের তাড়াইল এলাকায় এবং তিনি রাজাশন এলাকায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করেন।
মো. জিন্নাত গাইবান্ধা সদর এলাকার বাসিন্দা। সে সাভার সরকারি কলেজে অধ্যয়নরত।
ইসমাইল হোসেন ঠাকুরগাঁও সদর এলাকার বাসিন্দা এবং কালিয়াকৈর হাইপয়েন্ট এলাকায় একটি গার্মেন্টসে চাকরি করেন।
মো. তামিম সিকদার শরীয়তপুরের বাসিন্দা এবং মধ্য রাজাশন এলাকায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাসের পাশাপাশি বড় কালিয়াকৈরের একটি কারখানায় চাকরি করেন।
এছাড়াও মো. সাকিন ইসলাম সাভারের ছোট কালিয়াকৈর খনিজনগর এলাকার বাসিন্দা এবং সাভারের সেনা কমপ্লেক্স মার্কেটের একটি জুতার দোকানে কাজ করেন।
আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে ও জানান ডিবির ওসি।